মালির বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে, যা দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। শনিবার পাঁচটি স্থানে হামলা হয়, যার মধ্যে একটি উত্তরাঞ্চলীয় শহরও রয়েছে যেখানে মালির সেনাবাহিনী ও রাশিয়ান যোদ্ধারা মোতায়েন রয়েছে।
মালির সামরিক ও নিরাপত্তা সূত্র জানায়, হামলাগুলো আগুয়েলহোক, আনেফিস, গাও, সেভার এবং কেনিয়েরোবাতে সংঘটিত হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ৫টার দিকে (জিএমটি ০৫:০০) হামলাগুলো শুরু হয়।
তুরাগ নেতৃত্বাধীন একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী জানিয়েছে যে, তারা শনিবার সকালে কিদাল অঞ্চলের আনেফিস শহরে হামলা চালিয়েছে। এই গোষ্ঠীর মুখপাত্র মোহামেদ এলমাউলুদ রামাদানে রয়টার্স সংবাদ সংস্থাকে জানান, "আমরা আনেফিসে হামলা চালিয়েছি এবং শহরের ভেতরে এখনও লড়াই চলছে।"
রামাদানে আরও বলেন, "কিছু স্থানে আমাদের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু সেনাবাহিনী এখনও প্রতিরোধ করছে।" আনেফিস শহরের একজন বাসিন্দা এএফপি সংবাদ সংস্থাকে জানান, "সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলি শহরে প্রবেশ করেছে, তবে সেনাবাহিনী এখনও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।"
মালির সেনাবাহিনী এবং রাশিয়ান সৈন্যরা এপ্রিল মাসে হামলার পর আনেফিসে মোতায়েন হয়েছিল। এপ্রিলে আল-কায়েদার আঞ্চলিক সহযোগী এবং ফ্রি লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএ) কিদাল শহর দখল করে।
গাও শহরে, স্থানীয় এক কর্মকর্তা জানান, ভোরের আগে একটি সামরিক ক্যাম্পের দিকে গুলি ও রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। তবে হামলার পেছনে কোন গোষ্ঠী রয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সেভারে, আরেকটি কেন্দ্রীয় শহরে, "বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে ... তবে এর উৎস এখনও জানা যায়নি।"
শনিবারের হামলাটি মালির সামরিক সরকারের জন্য আরও একটি চ্যালেঞ্জ, যেখানে এপ্রিল মাসে বিদ্রোহীরা রাজধানী বামাকোতে হামলা চালিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে হত্যা করে এবং উত্তরাঞ্চলে একাধিক সামরিক ঘাঁটি দখল করে।