বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক রফতানি বাজার কিছুটা সংকুচিত হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) সিলেটের সদর উপজেলায় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের কারণে যে স্থবিরতা সৃষ্টি হয়েছে, তা স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরলে দূর হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সাধারণত বিশ্ব পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে পর্যটকদের যাতায়াত বৃদ্ধি পায়, যা রফতানি বাজারকে সমর্থন করে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক চাহিদা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে, যা শুধু বাংলাদেশের নয় বরং অন্যান্য প্রতিযোগী দেশগুলোর রফতানি ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলেছে। যুদ্ধের অবসান হলে বাজার আবার চাঙ্গা হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, সরকার ৩০টি পণ্য নিয়ে একটি এআই মডেল তৈরি করছে, যা বাজারের নজরদারি প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে রূপান্তর করবে। তিনি বলেন, এই মডেল কার্যকর হলে বাজারে পণ্যের অপ্রত্যাশিত উধাও হওয়া বা দাম বৃদ্ধির সমস্যা থাকবে না।
জ্বালানি সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, শিল্প-কারখানাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। মন্ত্রী আশ্বাস দেন, যত দ্রুত সম্ভব শিল্প-কারখানাগুলো ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সিলেটের সবজির বাজারের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, উন্নত প্যাকেজিং ব্যবস্থার অভাবে শাকসবজি রফতানি প্রত্যাশিত হারে বাড়ছে না। সিলেটকে বাংলাদেশের প্রধান শাকসবজি রফতানি হাব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটি প্রকল্প নেওয়া হবে।