যুক্তরাষ্ট্রে ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতির মধ্যে তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ের আয়োজন চলছে।
খামেনির মৃত্যুর চার মাস পর শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানটি সপ্তাহব্যাপী চলবে। ইরানি কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, এটি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় লজিস্টিক আয়োজনগুলোর একটি।
দেশটির সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিশ্ববিদ্যালয়, শ্রমিক সংগঠন, দমকল বাহিনী এবং সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন ধর্মীয় শোকগোষ্ঠী এই আয়োজনের জন্য সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহর এবং পবিত্র ধর্মীয় স্থানে লাখো মানুষের সমবেত হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। প্রতিবেশী ইরাকের কর্তৃপক্ষও বিপুলসংখ্যক শোকাহত মানুষের উপস্থিতি আশা করছে।
গত ১০ দিন ধরে ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলো খামেনির শেষ বিদায়কে কেন্দ্র করে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার খবরগুলোকে অনেকটাই আড়ালে নিয়ে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বিশাল আয়োজনের মাধ্যমে তেহরান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি রাজনৈতিক বার্তা দিতে চায়, দেখাতে চায় যে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র শক্তিশালী দুই সামরিক শক্তির সঙ্গে যুদ্ধের পরেও টিকে রয়েছে।