সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
ব্রেকিং
অপরাধ

বৃদ্ধা মাকে মারধরের অভিযোগে শিক্ষক ছেলে ও পুত্রবধূর বিরুদ্ধে মামলা

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বৃদ্ধা মাকে মারধরের অভিযোগে শিক্ষক ছেলে ও পুত্রবধূর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।

বৃদ্ধা মাকে মারধরের অভিযোগে শিক্ষক ছেলে ও পুত্রবধূর বিরুদ্ধে মামলা

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বৃদ্ধা মাকে মারধর করে দাঁত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসা শিক্ষক মনিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ফেরদৌসী ইসলামের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার মারধরের ঘটনাটি ঘটে এবং রোববার সকালে এ ঘটনায় মামলা করা হয়।

মামলার বাদী আনোয়ারা বেগম (৭২) শ্যামনগরের কলবাড়ী গ্রামের মৃত নজরুল ইসলাম গাজীর স্ত্রী। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, মনিরুল ইসলাম (৫৩) বুড়িগোয়ালিনী দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক এবং তার স্ত্রী ফেরদৌসী ইসলাম ঝর্ণা (৪৫) দীর্ঘদিন ধরে আনোয়ারা বেগমের ভরণপোষণ ও চিকিৎসার ব্যয় বহন করছেন না।

এক দশক আগে স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে আনোয়ারা বেগমের নামে থাকা সম্পত্তি ছেলে নিজের নামে লিখে নিয়েছেন। এছাড়া, তাকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৬ জুন দুপুরে মনিরুল ইসলাম ও পুত্রবধূ লাঠিসোঁটা নিয়ে আনোয়ারা বেগমের কক্ষে প্রবেশ করে গালিগালাজ শুরু করেন। প্রতিবাদ করায় মনিরুল ইসলাম লাঠি দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করেন। মাথা সরিয়ে নিলে আঘাত মুখে লেগে আনোয়ারা বেগমের একটি দাঁত ভেঙে যায় এবং ঠোঁট ফেটে যায়।

এ সময় পুত্রবধূ ঝর্ণা লাঠি দিয়ে আঘাত করলে আনোয়ারা বেগমের নাকও ফেঁটে যায়। আনোয়ারা বেগমকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তার মেয়ে নাছিমা খাতুনকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

মনিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি। শ্যামনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক পিয়ার উদ্দীন জানান, অভিযোগ গ্রহণ করে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিজ্ঞাপন