বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬
ব্রেকিং
খেলাধুলা

লিওনেল মেসির ৩৯তম জন্মদিনে ফুটবলের মহাকাব্যিক যাত্রা

লিওনেল মেসির ৩৯তম জন্মদিনে ফুটবলের ইতিহাসে তার অসাধারণ যাত্রা তুলে ধরা হলো।

লিওনেল মেসির ৩৯তম জন্মদিনে ফুটবলের মহাকাব্যিক যাত্রা

১৯৮৭ সালের ২৪ জুন, আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেন লিওনেল মেসি। গ্রোথ হরমোনজনিত জটিল রোগে আক্রান্ত এই শিশুটি একদিন পৃথিবীর ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করেন। আজ, ৩৯ বছর বয়সে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামির মাঠ থেকে শুরু করে আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সিতে ফুটবল প্রেমীদের মুগ্ধ করছেন।

২০০০ সালে বার্সেলোনার তৎকালীন স্পোর্টিং ডিরেক্টর কার্লেস রেক্সাচ মেসির প্রতিভা দেখে একটি সাধারণ 'ন্যাপকিন পেপার'-এ চুক্তি সম্পন্ন করেন। এরপর মেসি লা মাসিয়া একাডেমি থেকে উঠে এসে বার্সেলোনার ইতিহাসে এক অবিসংবাদিত তারকা হয়ে ওঠেন।

মেসির ক্যারিয়ারে রয়েছে ৪টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, রেকর্ডসংখ্যক ব্যালন ডি’অর এবং গোল্ডেন বুট। তবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার যাত্রা ছিল অনেকটা দুঃখের। ২০০৫ সালে অভিষেক ম্যাচে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাকে।

২০০৭ কোপা আমেরিকার ফাইনাল হার এবং ২০১৪ বিশ্বকাপের মারাকানার অভিশপ্ত রাতের স্মৃতি এখনও ফুটবল ভক্তদের মনে দাগ কেটে আছে। কিন্তু ২০২২ সালে কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে সোনালি ট্রফি হাতে তুলে নিয়ে তিনি আর্জেন্টিনার ৩৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটান।

৩৯ বছর বয়সে মেসির খেলা এখনো যেন একটি রূপকথা। তার ড্রিবলিং, পাসিং এবং ফ্রি-কিকের কারুকার্য ফুটবলকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। আধুনিক ফুটবলে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে মেসি যে বুদ্ধিমত্তা ও গতির সূক্ষ্ম পরিবর্তন ব্যবহার করেন, তা তাকে অপ্রতিরোধ্য করে তোলে।

মাঠের ভেতরে মেসির দূরদর্শিতা ফুটবলকে কবিতার রূপ দেয়। তার প্রতিটি পাস এবং বাঁ-পায়ের ফ্রি-কিক ফুটবল প্রেমীদের মনে এক নতুন অনুভূতি সৃষ্টি করে।

বিজ্ঞাপন