রাতে আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। নকআউটের নাটকীয় লড়াই পার করে লিওনেল স্কালোনির দল আজ একটি কঠিন পরীক্ষার মুখে দাঁড়িয়েছে।
আর্জেন্টিনার আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি হলো তাদের বড় মঞ্চে চাপ সামলানোর অভিজ্ঞতা। ১৯৩০ বিশ্বকাপ থেকে এখন পর্যন্ত ২২টি নকআউট ম্যাচ জিতে এসেছে তারা, যেখানে ইংল্যান্ডের নকআউট জয়ের অভিজ্ঞতা মাত্র ১৪ ম্যাচের।
দ্বিতীয়ত, ৩৯ বছর বয়সী লিওনেল মেসি এখনও টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় এক্স-ফ্যাক্টর। তিনি ৮টি গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষে রয়েছেন। ইংলিশ বস টমাস টুচেল মেসির প্রতি চরম আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন।
তৃতীয় কারণ হলো আর্জেন্টিনার ধারাবাহিক গোল করার ক্ষমতা। চলতি বিশ্বকাপে তারা সর্বোচ্চ ১৭টি গোল করেছে এবং ম্যাচপ্রতি ৭.৮টি শট নিয়েছে।
চতুর্থত, আর্জেন্টিনার ক্লিনিক্যাল ফিনিশিং ও অল্প সুযোগ কাজে লাগানোর দক্ষতা তাদের শক্তি। অপ্টার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তারা দূরপাল্লার শট ও ডি-বক্সের ভেতর থেকে গোল করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর।
পঞ্চম এবং গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো পেনাল্টি টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনার মনস্তাত্ত্বিক রাজত্ব এবং গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজের উপস্থিতি। টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনা মানসিকভাবে এগিয়ে থাকে, যা তাদের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।