গাজায় ইসরায়েলের হামলায় নিহতদের মধ্যে ৩০ শতাংশই শিশু। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে শিশুদের লক্ষ্যবস্তু করা গণহত্যার অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় শিশু মৃত্যুর পাশাপাশি প্রসূতি ও নবজাতক স্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্রগুলোও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশে পরিকল্পিতভাবে বাধা দেওয়ার কারণে শিশুদের মধ্যে অপুষ্টি, দুর্ভিক্ষ ও রোগের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, মোট নিহতদের ৩০ শতাংশ শিশু। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণে দেখা যাচ্ছে ফিলিস্তিনি শিশুরা সরাসরি হামলার শিকার হচ্ছে এবং যুদ্ধবিরতির সময়েও শিশু হতাহতের ঘটনা ঘটছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আটক ফিলিস্তিনি শিশুদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করা হয়েছে এবং তারা যৌন সহিংসতার শিকারও হয়েছে। ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গাজায় ৫০ হাজারের বেশি শিশু হতাহত হয়েছে, যেখানে প্রতিদিন গড়ে একজন ফিলিস্তিনি শিশু প্রাণ হারাচ্ছে।
এদিকে, তদন্ত প্রতিবেদনের সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল। জেনেভায় ইসরায়েলের মিশন এক বিবৃতিতে প্রতিবেদনটিকে ‘মানহানিকর’ ও ‘একপেশে’ আখ্যা দিয়েছে এবং হামাসের ভূমিকা সম্পর্কে প্রতিবেদনটিতে কোনো উল্লেখ না করার অভিযোগ করেছে।