ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক পরিদর্শন এবং হরমুজ প্রণালী নিয়ে বিরোধ চলমান রয়েছে, যখন আলোচকরা ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তির জন্য কাজ করছেন।
দুই দেশের প্রতিনিধিরা মূল বিষয়গুলো সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য প্রদান করছেন, যা চুক্তির বাস্তবায়ন এবং পরমাণু নজরদারির ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জগুলোকে স্পষ্ট করে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, চূড়ান্ত চুক্তির আওতায় ইরানকে হরমুজ প্রণালীতে টোল আদায়ের অনুমতি দেওয়া হবে না, এবং এই কৌশলগত জলপথ আন্তর্জাতিক শিপিংয়ের জন্য খোলা থাকতে হবে।
অন্যদিকে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে যে তারা পারমাণবিক পরিদর্শকদের দেশে ফিরে আসতে অনুমতি দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, তেহরান "সর্বোচ্চ স্তরের" নজরদারির জন্য সম্মত হয়েছে।
এই ভিন্ন বক্তব্যগুলো আলোচকদের জন্য সেতুবন্ধন তৈরির চ্যালেঞ্জকে তুলে ধরে, যা এখনও সমাধানযোগ্য নয়।