বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ড্র করার পর ব্রাজিলের দুর্দশা নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকে প্রশ্ন তোলেন, ন্যাচারাল স্ট্রাইকারের অভাবে এবং মিডফিল্ডের দুর্বলতায় ব্রাজিল কতদূর যাবে। তবে সমালোচনার জবাব দিতে বেশি সময় নেয়নি সেলেসাওরা।
আজ (শনিবার) তারা হাইতিকে ৩-০ ব্যবধানে পরাজিত করেছে, যা প্রতিপক্ষের জন্য একটি হুঁশিয়ারি বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রথমার্ধে তিন গোল করে ব্রাজিল দ্বিতীয়ার্ধে আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। তবে তাদের দুটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়েছে।
ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের কোচ আনচেলত্তি বলেছেন, ভিনিসিয়ুস এবং কুনিয়া ভালো খেলেছেন। মরক্কো ম্যাচে মিডফিল্ডের দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ ছিল, কিন্তু আজ গিমারেস, পাকেতা এবং কাসেমিরো একত্রে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন।
কিছু সমালোচক বলছেন, হাইতি র্যাঙ্কিংয়ে ৮০-এর ওপরে থাকা একটি দল, তাই তাদের বিরুদ্ধে এই জয়টি খুব বেশি তাৎপর্যপূর্ণ নয়। তবে বিশ্বকাপে কোনো দলকেই ছোট করে দেখা উচিত নয়, যেমনটি কেপ ভার্ডে ও ডিআর কঙ্গো দেখিয়েছে।
ম্যাচের শুরুতে হাইতি কিছুটা চাপ সৃষ্টি করেছিল, কিন্তু ব্রাজিল দ্রুত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। প্রথমার্ধে তিন গোল করে তারা নিজেদের শক্তি প্রমাণ করেছে।
রাফিনিয়া চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেও, ব্রাজিলের রক্ষণ এবং গোলরক্ষক আলিসন বেকারের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তারা ক্লিনশিট রেখেছে। আজকের ম্যাচে ব্রাজিল তাদের ইতিহাসে দ্বিতীয় বয়স্ক দল নিয়ে খেলেছে এবং ২০ বছরের কম বয়সী দুই ফুটবলার রায়ান ও এনদ্রিককে মাঠে নামিয়েছে।
এখন ফিট নেইমার দলে যুক্ত হলে ব্রাজিলের শক্তি আরও বাড়বে, যা প্রতিপক্ষের জন্য আরও চ্যালেঞ্জিং হবে।