২০২৬ বিশ্বকাপের 'সি' গ্রুপের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করার পর সমালোচনার মুখে পড়েছিল ব্রাজিলের আক্রমণভাগ। তবে মাতেউস কুনার মাঠে আগমন হাইতির বিরুদ্ধে দৃশ্যপট পাল্টে দেয়। শনিবার (২০ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে কুনার দুই গোলের সাহায্যে ব্রাজিল ৩-০ গোলে জয়লাভ করে।
কুনার উপস্থিতি মাঠে ব্রাজিলের আক্রমণকে গতিশীল করে তোলে। তার পারফরম্যান্সে দলের আক্রমণে ভারসাম্য ও ধার ফিরে আসে। মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচের পর কোচ আনচেলত্তি একাদশে দুটি পরিবর্তন করেন, যার মধ্যে কুনার অন্তর্ভুক্তি ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
মিডফিল্ড ও আক্রমণভাগের মধ্যে স্বাভাবিক সংযোগ স্থাপন করে কুনা, যা প্রথম ম্যাচে অনুপস্থিত ছিল। আনচেলত্তির ডায়মন্ড মিডফিল্ড পরিকল্পনাও কার্যকরভাবে কাজ করতে শুরু করে।
মরক্কোর বিপক্ষে প্রথমার্ধে ব্যর্থ হওয়া লুকাস পাকেতা হাইতির বিপক্ষে অনেক বেশি কার্যকর ছিলেন। তিনি ভিনিসিউস জুনিয়রকে সহায়তা করে কুনার সঙ্গে চমৎকার সমন্বয় গড়ে তোলেন।
কুনার নিরলস দৌড়, পাকেতার সক্রিয় উপস্থিতি এবং ভিনিসিউসের সঙ্গে বোঝাপড়া ব্রাজিলের আক্রমণে নতুন মাত্রা যোগ করে। ম্যাচের তিনটি গোলই মূলত এই আক্রমণভাগ থেকে এসেছে।
নেইমারের গুরুতর চোটের পর থেকে বাম পাশে এমন কার্যকর সমন্বয় খুব কমই দেখা গেছে। কুনার ভূমিকা ভিনিসিয়ুস ও পাকেতার জন্য অতিরিক্ত জায়গা তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে সাফল্য পেতে ব্রাজিলকে আরও কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে, তবে এই জয় আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।
বর্তমানে গোল ব্যবধানে মরক্কোকে পেছনে ফেলে ব্রাজিল গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে। তাদের পরবর্তী প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড।