মানিকগঞ্জে ১১৮টি ইটভাটার মধ্যে ১৪টি অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যা কৃষকদের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছে। সদর উপজেলার বরুন্ডি ও মিতরা এলাকায় ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়া ও বর্জ্যের কারণে প্রায় ২০০ বিঘা ফসলি জমির ধান নষ্ট হচ্ছে।
কৃষকরা জানিয়েছেন, আশপাশের ইটভাটার কারণে তাদের ফসল শুকিয়ে যাচ্ছে এবং গাছের পাতায় পোড়া দাগ দেখা দিয়েছে। তারা অভিযোগ করেছেন যে, ইটভাটার মালিকদের কাছে বার বার অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কোনো সুরাহা হয়নি।
এদিকে, এনবিসি ব্রিকসের ম্যানেজার হযরত আলী দাবি করেছেন যে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে, তবে কাকে কত টাকা দেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মোজাফ্ফর খান জানিয়েছেন, তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক ড. মমতাজ সুলতানা বলেছেন, 'অনাবাদি জমি ছাড়া ইটভাটার অনাপত্তিপত্র উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা দিতে পারেন না।' তিনি আরও জানান, বর্তমানে কৃষিজমিতে ইটভাটার অনুমোদন বন্ধে উপজেলা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এলাকাবাসী প্রশাসনের কাছে অবৈধ ইটভাটাগুলো বন্ধের জন্য জোরালো পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।