মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে দুর্বল করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করেছিল, তবে বিশ্লেষকদের মতে, তাদের লক্ষ্য পূরণ হয়নি।
প্রায় সাড়ে ৩ মাস পর নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের পর ইরানের শাসন কাঠামোয় বড় পরিবর্তন এসেছে। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক নতুন নেতৃত্বের উত্থান ঘটেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ব্যবস্থাকে ইসলামিক রিপাবলিক ‘৩.০’ বলা হচ্ছে, যেখানে আইআরজিসির প্রভাব রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে। চ্যাথাম হাউসের সানাম ভাকিল উল্লেখ করেছেন, ইরান এখন অপেক্ষাকৃত তরুণ ও সাহসী নেতৃত্বের হাতে পরিচালিত হচ্ছে।
সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ সত্ত্বেও দেশটি তার পারমাণবিক সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত ভিত্তি অক্ষুন্ন রেখেছে। ফলে দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে।
ইরানের আঞ্চলিক প্রভাবও দৃঢ় রয়েছে। হিজবুল্লাহ, হামাস ও হুতি গোষ্ঠীর মাধ্যমে তাদের অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে। ইরান এখন সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি কূটনৈতিক চাপকেও আক্রমণাত্মকভাবে ব্যবহার করছে।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, ভুল হিসাব বা কৌশলগত ভুল সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে বড় সংঘাতে গড়াতে পারে। ফলে অঞ্চলটিতে দীর্ঘমেয়াদে যুদ্ধ বা শান্তির অনিশ্চিত বাস্তবতা থেকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।