যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনে বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতির সন্দেহে সাময়িক লকডাউন জারি করা হয়েছে। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কোনো ক্ষতিকর উপাদান না পাওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
আর্লিংটন কাউন্টি ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ বিভাগ জানায়, ভবনের ভেতরে বায়ুর মানে অস্বাভাবিকতা শনাক্ত হওয়ার পর পেন্টাগনের একটি অংশে সতর্কতামূলকভাবে ‘শেল্টার-ইন-প্লেস’ নির্দেশনা জারি করা হয়। হ্যাজম্যাট দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরীক্ষা চালায়।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল বলেন, ভবনের অত্যাধুনিক নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা সম্ভাব্য বায়ুদূষণ বা রাসায়নিক ঝুঁকি শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্কতা জারি করে। তিনি জানান, সতর্কতামূলক প্রোটোকল অনুযায়ী নির্দিষ্ট করিডোরে কর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
প্রায় ছয় লাখ বর্গমিটার আয়তনের পেন্টাগনে প্রায় ৩০ হাজার সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। ঘটনার সময় ভবনের কয়েকটি অংশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয় এবং কিছু কর্মীকে নিরাপদ স্থানে থাকতে বলা হয়।
পরবর্তীতে পরীক্ষায় কোনো বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থের অস্তিত্ব না পাওয়ায় কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি সম্ভাব্য ‘ফলস অ্যালার্ম’ হতে পারে এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম দ্রুতই পুনরায় শুরু করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাটির সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভবনের অভ্যন্তরীণ সেন্সর ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার সংবেদনশীলতার কারণেই এমন সতর্কতা সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। উল্লেখ্য, এর আগে ৯/১১ হামলার সময়ও পেন্টাগন লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল।