বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
ব্রেকিং
ঘূর্ণিঝড় আরনাবের প্রভাবে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তাণ্ডব, সতর্কতা জারি সুদানের ন্যালে ড্রোন হামলায় ২১ নিহত, ৪০ আহত ঘূর্ণিঝড় অর্ণব: অতি প্রবল অবস্থায় পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে লরি চাপায় নিহত ৫, আহত ৪ সাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে ফ্রান্সে জাতিগত হামলায় নিহত ১, আহত ৫, মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণা বাড়ছে জর্ডানে গির্জায় সন্ত্রাসী হামলায় ৭ জন নিহত, ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পাবনায় শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদরাসা পরিচালক আটক তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৮ জনের মৃত্যু
রাজনীতি

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসে ফেরার গুঞ্জন, বৈঠক সোনিয়া-রাহুলের সঙ্গে

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসে ফেরার গুঞ্জন, দিল্লিতে সোনিয়া-রাহুলের সঙ্গে বৈঠক।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসে ফেরার গুঞ্জন, বৈঠক সোনিয়া-রাহুলের সঙ্গে

পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙন নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যে দিল্লিতে কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সূত্র জানায়, ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে তাঁর সঙ্গে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে কংগ্রেস সংসদীয় দলের নেত্রী সোনিয়া গান্ধী, লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে উপস্থিত ছিলেন। একই সময়ে, তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন।

বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, বৈঠকে মূলত বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়াকে’ জাতীয় স্তরে আরও শক্তিশালী করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়াও, বিজেপি-বিরোধী দলগুলোকে এক ছাতার নিচে আনার উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হয়েছে।

তৃণমূলের একটি সূত্রের দাবি, কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মমতা ও অভিষেককে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর বিষয়টিও উঠে এসেছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেছিলেন। তাই তাঁর সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে মমতা বা অভিষেক প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।

তৃণমূলের পক্ষ থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে বলা হয়েছে, কংগ্রেসের কাছে রাজনৈতিক সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তাঁরা কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন না এবং তাঁদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হচ্ছে।

সম্ভাব্য এই সমীকরণ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেসের মধ্যেও ভিন্নমত দেখা দিয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, ‘রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আসতে চাইলে সবার জন্য দরজা খোলা।’ তবে কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা আব্দুল মান্নান আপত্তি জানিয়ে বলেন, ‘আগে যোগদান হোক, তারপর এ নিয়ে কথা বলা যাবে।’

বৈঠকগুলো ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চললেও কোনো সমঝোতা বা সিদ্ধান্তের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। সুতরাং, সোনিয়া ও রাহুলের সঙ্গে বৈঠক করে মমতা দিল্লির রাজনীতিতে কতটা প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখতে পারেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

বিজ্ঞাপন