মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক যাত্রা কংগ্রেসের হাত ধরেই শুরু হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন। বর্তমানে আবার কি কংগ্রেসে ফিরে আসার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে—এই প্রশ্ন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোরালো আলোচনা চলছে। খবর এবিপি আনন্দের।
১৯৯৮ সালে কংগ্রেস ছাড়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৃথক দল গঠন করে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেন। এরপর ২০১১ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসেন। কিন্তু সেই জোটও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
বর্তমানে মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করছেন, যা রাজনৈতিক মহলে নতুন গুঞ্জন সৃষ্টি করেছে। প্রদেশ কংগ্রেসের একটি বড় অংশ মমতার এই উদ্যোগ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে।
মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি বিধানসভা আসনে সিপিএমের সঙ্গে জোট করে কংগ্রেস জয় লাভ করেছিল। তবে সেই একমাত্র বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসকেও পরবর্তীতে তৃণমূল দলে টেনে নেওয়া হয়।
২০১৫ সালের পুরভোটে মুর্শিদাবাদ জেলার সাতটি পুরসভার একটিতেও তৃণমূল জয় পায়নি। কিন্তু পরবর্তীতে বিরোধী শিবির ভেঙে সবকটি পুরসভাই তাদের দখলে আসে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১০ জনপথে গিয়ে সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর বুধবার সেখানে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
তাদের একাংশ স্পষ্টভাবে দাবি করছে, কংগ্রেসে ফেরার কোন বাস্তব সম্ভাবনা নেই। বরং ভবিষ্যতে দুই দলের মধ্যে নির্বাচনী জোট বা সমঝোতার সম্ভাবনাই বেশি।