শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

গভীর সমুদ্রের মৎস্য খাতে গবেষণার ঘাটতি ও লোকসানের চাপ

গভীর সমুদ্রের মৎস্য খাত গবেষণার ঘাটতি ও লোকসানের চাপের মুখে রয়েছে।

গভীর সমুদ্রের মৎস্য খাতে গবেষণার ঘাটতি ও লোকসানের চাপ

গভীর সমুদ্রের মৎস্য খাত বর্তমানে বাড়তি খরচ, মাছের অভাব এবং গবেষণার ঘাটতির কারণে বড় ধরনের চাপের সম্মুখীন হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় পর্যায়ে তথ্যভিত্তিক গবেষণায় সরকারের মনোযোগ বাড়লেও, জাহাজ মালিক ও সংশ্লিষ্টদের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।

দেশে নিবন্ধিত মাছ ধরার জাহাজের সংখ্যা ২৬৪টি হলেও বর্তমানে চালু আছে মাত্র ২৩২টি। এর মধ্যে ৩০টির মতো জাহাজ সমুদ্রের তলদেশে জাল ফেলে মাছ ধরে, বাকিগুলো মধ্য স্তরের মাছ শিকার করে। বঙ্গোপসাগর থেকে তারা ১১৫ প্রজাতির মাছ আহরণ করে।

গভীর সংকটের কারণে আবহাওয়ার পরিবর্তন, জ্বালানির উচ্চ খরচ এবং নিরাপত্তা সংকটের কারণে আয় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এসব কারণে সমুদ্রে মাছের পরিমাণও কমে গেছে। সানম্যান গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আরিফুজ্জামান তুহিন বলেন, 'জাতীয় মাছ বা টুনা মাছ সম্পর্কে বাংলাদেশে কোনো গবেষণা নেই।' এই অভাব তথ্যের জন্য মৎস্য খাতের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

গবেষকরা বলছেন, সঠিক ব্যবস্থাপনা ছাড়া সমুদ্রের মৎস্যসম্পদ আহরণ সম্ভব নয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইদুর রহমান চৌধুরী উল্লেখ করেন, 'বঙ্গোপসাগর আমাদের সম্পদের খুবই ধনী এলাকা, এটাকে সংরক্ষণ করতে হবে।'

সরকার এখন জরিপ ও গবেষণায় বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন, 'আমরা বিশ্ব সেরা যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করছি এবং প্রশিক্ষণের প্রয়োজন।'

জাহাজ মালিকেরা আন্তর্জাতিক তথ্য আদান-প্রদানের পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক দীর্ঘমেয়াদি নীতি সহায়তার দাবি জানাচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন