নেত্রকোণার মদনে মাদ্রাসা শিক্ষকের ধর্ষণে ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার মামলায় আসামি মাদ্রাসা শিক্ষককে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামির ডিএনএ সংরক্ষণেরও আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার বেলা সোয়া ২টার দিকে নেত্রকোণার মদন আমলি আদালতের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা ইসলাম এই আদেশ দেন। অভিযুক্ত আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার হযরত ফাতেমাতুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতের জিআরও সোহরাওয়ার্দী জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মদন থানার এসআই আক্তারুজ্জামান তিন দিনের রিমান্ড শেষে আজ আদালতে আসামিকে সোপর্দ করেন। তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে কারাগারে আটক রাখা এবং আসামির ডিএনএ সিআইডির মাধ্যমে সংরক্ষণের জন্য আবেদন করেন। আদালতের বিচারক তা মঞ্জুর করেন।
এর আগে ৫ মে দিবাগত রাত সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে শিক্ষক সাগরকে ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ গ্রেপ্তার করে। পরের দিন বিকেলে থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে পুলিশ সাগরকে আদালতে সোপর্দ করলে কারাগারে পাঠান বিচারক। এর পরদিন ৭ মে বিচারক জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে তিন দিনের পুলিশি রিমান্ডের পাঠানোর আদেশ দেন। গত ২৩ এপ্রিল থানায় মামলাটি করেন ওই ভুক্তভোগী শিশু শিক্ষার্থীর মা।