রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবরোধ প্রত্যাহার, ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবরোধ প্রত্যাহার, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দাবি পূরণের আল্টিমেটাম।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবরোধ প্রত্যাহার, ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্যের প্রতিনিধিদের আশ্বাসে সাড়ে চার ঘণ্টা পর সড়ক ও রেলপথের অবরোধ তুলে নিয়েছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। তবে তারা আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দাবি পূরণ না হলে আবারও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে সদর উপজেলার কোড্ডা কেবিন এলাকায় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন অখণ্ড বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম পুনর্বহাল এবং সদর উপজেলা বিভক্তিকরণের উদ্যোগের প্রতিবাদকারীরা। এ অবরোধের ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রেলপথে ট্রেন চলাচল এবং আখাউড়া-আগরতলা সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

এতে উপকূল, সুবর্ণ, পারাবত, পর্যটক, সোনার বাংলা, মহানগর প্রভাতী ও কালনী এক্সপ্রেসসহ অন্তত সাতটি আন্তনগর ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে, ফলে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।

স্থানীয় সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি হিসেবে ঘটনাস্থলে যান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এবং সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম খান রোমাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা। তারা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং জেলা প্রশাসকের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেন আন্দোলনকারীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত মে মাসে বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম নিয়ে ইউনিয়নটি ভেঙে ‘বরিশল’ নামে নতুন ইউনিয়ন গঠন করে তা আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয় ৪ জুন। সম্প্রতি সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন ভেঙে এবং আখাউড়ার বরিশল ইউনিয়ন যুক্ত করে ‘বরিশল’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব আসার পর এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম জানান, যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ ঘটনাস্থলে সতর্ক অবস্থানে ছিল। বর্তমানে সড়ক ও রেলপথে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে আন্দোলনকারীরা দাবি পূরণের জন্য ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন