নিউজিল্যান্ডের আসন্ন নির্বাচনের আগে, সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন কেন্দ্রীয়-ডান ন্যাশনাল পার্টি এবং বিরোধী কেন্দ্রীয়-বাম লেবার পার্টির মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে। দুই দলেরই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পেতে পারবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিউজিল্যান্ডের নির্বাচনে ভোটাররা দুটি ব্যালট cast করে: একটি স্থানীয় প্রার্থী এবং একটি রাজনৈতিক দলের জন্য। দেশের ৭১টি নির্বাচনী এলাকা থেকে নির্বাচিত প্রার্থীরা সরাসরি সংসদে স্থান পায়। এছাড়া, মাওরি জনগণের জন্য সাতটি নির্বাচনী এলাকা সংরক্ষিত রয়েছে।
নিউজিল্যান্ডের ১২০ আসনের সংসদে, একটি দলের জন্য সাধারণত ৬১টি আসন প্রয়োজন। একটি দল যদি তাদের ভোটের অনুপাতের চেয়ে বেশি আসন পায়, তবে তাদের অতিরিক্ত আসন সংসদে যুক্ত হয়। ২০২৩ সালে, টে পাটি মাওরি ছয়টি মাওরি নির্বাচনী এলাকা জিতে নিয়েছিল, যদিও তাদের মোট ভোটের হার ছিল মাত্র ৩.১ শতাংশ।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাকসন দ্বিতীয়বারের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি ২০২০ সালে সংসদে প্রবেশ করেন এবং ২০২১ সালে ন্যাশনাল পার্টির নেতা হন। তার নেতৃত্বে, ন্যাশনাল ২০২৩ সালে ক্ষমতায় ফিরে আসে।
লেবার নেতা ক্রিস হিপকিন্স, যিনি ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী হন, নির্বাচনে ফিরে আসার চেষ্টা করছেন। তিনি ২০০৮ সালে সংসদে প্রথম নির্বাচিত হন।
নির্বাচনে অর্থনীতি নিয়ে বিভিন্ন দল বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। ন্যাশনাল পার্টি বাজেটকে উদ্বৃত্তে ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, অন্যদিকে লেবার পার্টি জীবনযাত্রার খরচ কমানোর উপর জোর দিচ্ছে।
ছোট দলগুলোও নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট পার্টি বিদ্যুৎ কোম্পানি ভাঙার এবং সুপারমার্কেট অপারেটরদের বিভক্ত করার দাবি তুলেছে। গ্রীন পার্টি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ কোম্পানি প্রতিষ্ঠার পক্ষে।
নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণে ৫ শতাংশের থ্রেশহোল্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি একটি ছোট দল এই থ্রেশহোল্ড অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয় এবং কোনো নির্বাচনী এলাকা না জিতে, তবে তাদের ভোটের কোনো আসন তৈরি হবে না।
নির্বাচনের ফলাফল আগামী ৭ নভেম্বর ঘোষণা করা হবে।