মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে গত এক দশক ধরে প্রভাব বিস্তার করে আসছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মধ্যবর্তী নির্বাচন, যা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণ করবে। ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির জন্য এই নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দলটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপে রয়েছে।

ভোটারদের কাছে বর্তমানে জীবনযাত্রার ব্যয় সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়। খাদ্যপণ্য ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে সাধারণ মার্কিন নাগরিকেরা চাপে রয়েছেন। ট্রাম্পের আগ্রাসী শুল্কনীতি এবং ইরানের সঙ্গে অজনপ্রিয় যুদ্ধের কারণে পণ্যের দাম বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ট্রাম্পের জনসমর্থন রেকর্ড নিম্নমুখী। নির্বাচনী প্রচারে তিনি বেশ সক্রিয় ছিলেন এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী সমাবেশে অংশ নিয়েছেন। রিপাবলিকানদের নিরাপদ ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত অঙ্গরাজ্যগুলোতে প্রচার চালানোর সময় ট্রাম্প ভোটারদের কাছে বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন।

কুক পলিটিক্যাল রিপোর্টের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ক্যারি ড্যান বিবিসিকে জানান, নির্বাচনী বিজ্ঞাপনে বিপুল অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন পড়ে যখন কোনো অঙ্গরাজ্যে নিশ্চিত জয়ের প্রত্যাশা থাকে না। কানসাসের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ব্যয় তাদের প্রাথমিক ধারণার চেয়ে বেশি হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্প, নির্বাচনী সমাবেশে ভোটারদের কাছে বলেন, ‘আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি, দয়া করে এমনভাবে ভোট দিন, যেন আমিও ব্যালটে আছি।’ যদিও তিনি এবারের নির্বাচনে প্রার্থী নন, তার উপস্থিতি দলটির জন্য চাপ তৈরি করছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে হোয়াইট হাউসে ফিরেছিলেন, কিন্তু বর্তমানে ইরানের যুদ্ধ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি তার জনপ্রিয়তায় প্রভাব ফেলেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর আগে ডিজেল জ্বালানির দাম ছিল ৩ ডলার ৭৫ সেন্ট, যা বর্তমানে বেড়ে ৬ ডলার ৫২ সেন্টে পৌঁছেছে।

রিপাবলিকানদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে, বিশেষ করে টেক্সাস, ওহাইও ও কানসাসের মতো অঙ্গরাজ্যে, যেখানে তারা দীর্ঘদিন ধরে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। জনমত জরিপকারী প্রতিষ্ঠান মোর ইন কমনের স্টিফেন হকিন্স বলেন, দক্ষিণাঞ্চল ও মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলে রিপাবলিকানদের শক্তিশালী ঘাঁটিতে এবার ডেমোক্র্যাটদের সিনেট আসন জয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন