প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন নতুন একটি উদ্যোগ হিসেবে ‘ওয়ালটন সোলার ইকোসিস্টেম’ উন্মোচন করেছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চয় এবং জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের পাশাপাশি গৃহস্থালির দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন পণ্য পরিচালনার জন্য একটি সমন্বিত প্রযুক্তিব্যবস্থা।
ওয়ালটনের এই সোলার ইকোসিস্টেমের আওতায় প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব কারখানায় ৩২ মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করছে, যা দেশের একটি বড় জেলা শহরের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার সমান। উৎপাদিত সৌরবিদ্যুতের বড় অংশ নিজস্ব কারখানায় ব্যবহার করে বছরে গড়ে প্রায় ১ হাজার ১৫০ মেগাওয়াট-ঘণ্টা সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করছে।
এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, 'সোলার পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ। ওয়ালটন যা করছে, তা সারা বাংলাদেশে হতে যাচ্ছে।' তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সোলারের মাধ্যমে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা কম খরচে মেটানো সম্ভব হবে।
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম জানান, এই সোলার ইকোসিস্টেম গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ওয়ালটনের ভাইস চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম বলেন, 'সোলার ইকোসিস্টেম আমাদের ব্যবসায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।' তিনি উল্লেখ করেন যে, এটি কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতা ও মৌলভিত্তি শক্তিশালী করবে।
উদ্বোধনের পর অর্থমন্ত্রী ওয়ালটনের সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্যানেল ও অন্যান্য পণ্য পরিদর্শন করেন এবং তাদের আধুনিক প্রযুক্তি ও জ্বালানিসাশ্রয়ী বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
ওয়ালটনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের হাই-টেক শিল্প খাতের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।