কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে সিএনজি চালক সুমন মিয়া। পুলিশ আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায়।
পুলিশ জানায়, ৮ অক্টোবর সকালে স্থানীয় একটি ধানক্ষেতের আইলের পাশে মেয়ের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ভিকটিমের পিতা মরদেহটি শনাক্ত করেন এবং তার নাম জান্নাতুল তাজমিন (১৫) বলে জানা যায়। তাজমিন যশোর জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হলেও বর্তমানে কুমিল্লার রেসকোর্স এলাকায় বসবাস করছিলেন।
ভিকটিম ফরিদা বিদ্যায়তনের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। তার পিতার চাকুরীর সূত্রে পরিবারসহ কুমিল্লায় বসবাস করছিলেন। লালমাই থানায় হত্যা মামলা রুজু হওয়ার পর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও থানা পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে।
তদন্তের একপর্যায়ে সিএনজি চালক সুমন মিয়াকে চট্টগ্রাম থেকে আটক করা হয়। সুমন জানায়, ৮ অক্টোবর ভিকটিম পদুয়ার বাজার থেকে সিএনজি ভাড়া করে রেসকোর্সে আসার জন্য রওনা হয়। সুমন তার বাসায় পৌঁছানোর জন্য শর্টকাট রাস্তা ব্যবহার করার কথা বলে তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়।
সেখানে পৌঁছে ভিকটিম ভয় পেয়ে সিএনজি থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করে। তখন সুমন তাকে আটকানোর চেষ্টা করে এবং ভিকটিমের চিৎকারে সে তার গামছা দিয়ে গলা চেপে ধরে। পরে, সুমন তাজমিনকে ধানক্ষেতে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে।
হত্যার পর সুমন ভিকটিমের হ্যান্ডব্যাগ থেকে আইফোনটি নিয়ে যায় এবং পরে সেটি ঝালমুড়ি বাজার এলাকার একটি জঙ্গলে লুকিয়ে রাখে। ৯ অক্টোবর সুমনকে গ্রেফতার করা হয় এবং তার দেখানো মতে আইফোনটি উদ্ধার করা হয়।