কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন হত্যার ঘটনায় সিএনজি চালক সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরী থেকে তাকে আটক করা হয়।
নিহতের পরিবার অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছে। আজ সকালে যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাঠি ছাতিয়ানতলায় পারিবারিক কবরস্থানে তাজমিনকে দাফন করা হয়।
জানা যায়, ৪ অক্টোবর বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে কুমিল্লা শহরের বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় তাজমিন। পরে বৃহস্পতিবার সকালে লালমাইয়ের জগতপুর গ্রামের একটি ফসলি জমি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্বজনরা জানান, তাজমিন ৪ অক্টোবরের সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানায়, সে বান্ধবীর বাসায় রয়েছে। মধ্যরাতে বাবার ফোনে মেসেজ পাঠিয়ে লাইভ লোকেশন শেয়ার করে।
পুলিশ জানায়, তাজমিন কক্সবাজার থেকে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হয়। বুধবার রাত ১২টার দিকে পদুয়ার বাজারের নূরজাহান হোটেলের সামনে বাস থেকে নামে। পরে বৃহস্পতিবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাস্থলের কাছ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি সিএনজি অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে। ফরিদা বিদ্যাতন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. হানিফ মজুমদার জানান, তাজমিন এ বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাদের স্কুলে উপস্থিত ছিল।
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং সুরতহাল রিপোর্টে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।