খুলনার মুহাম্মদ নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি স্কুলের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত কোচিংয়ের ঘটনা ঘটছে, যা নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রমকে ব্যাহত করছে বলে অভিভাবকদের অভিযোগ উঠেছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান জানান, খণ্ডকালীন শিক্ষকদের বেতন কম হওয়ায় তারা কোচিং করাচ্ছেন। তিনি বলেন, 'খণ্ডকালীন শিক্ষকদের স্বল্প আয় বিবেচনা করেই কোচিংয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এটি বন্ধ করে দিলে তারা আর স্কুলে পড়াবে না। এতে বিদ্যালয়ের ক্ষতি হবে।'
অন্যদিকে, খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ অহিদুল ইসলাম এ বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, 'বিদ্যালয়ের ভবন ব্যবহার করে ব্যক্তিগত কোচিং চালানোর সুযোগ নেই।'
বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে ক্লাস চলাকালীন সময়ের পরে কোচিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। উপস্থিতি ভালো হলেও, ক্লাসের সময়ের পরে আরো আধাঘণ্টা অতিরিক্ত সময় নিয়ে কোচিংয়ের পাঠদান চলছে।
বিদ্যালয়ের নিচ তলার সব কক্ষে ছুটি শেষে তালা দেওয়া হলেও, দোতলার বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে কোচিং করানো হচ্ছে। অনেক অভিভাবক অতিরিক্ত ৫০০ টাকা খরচ করছেন কোচিংয়ের জন্য, যা শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশকে নষ্ট করছে বলে মনে করছেন তারা।
বিদ্যালয়ে বর্তমানে দুই শিফটে ১২৭৭ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে, যেখানে পূর্ণকালীন শিক্ষক ১৬ জন এবং খণ্ডকালীন ৬ জন রয়েছেন।