মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রতিশ্রুতি ওয়াশিংটন রক্ষা করবে। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তিনি এ কথা বলেন, যখন আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ছে এবং সৌদি আরবে হুতিদের হামলা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
রুবিও বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে এবং ওয়াশিংটন সেই চুক্তির প্রতিশ্রুতি পালন করবে। তিনি জানান, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুথিদের হামলা বাড়লে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কী ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারেন, তা জানাতে চাননি। তবে তিনি বলেন, ট্রাম্পের হাতে অনেকগুলো বিকল্প রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদার হিসেবে দেখে। রুবিও আরও জানান, সৌদি আরবের ওপর সাম্প্রতিক হামলাগুলো ওয়াশিংটন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ওয়াশিংটন সফরের সময় দুই দেশ একটি কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি করে।
এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হয়। হোয়াইট হাউস জানিয়েছিল, চুক্তির লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো এবং দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা আরও গভীর করা।
রুবিও সাম্প্রতিক হামলার কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি সৌদি তেল পাইপলাইন আবার চালু হওয়ায় স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই পাইপলাইন সৌদি অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য দুইয়ের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া, রুবিও ইরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। তার দাবি, ইরান মধ্যপ্রাচ্যের কিছু সংগঠনকে সমর্থন করছে, যারা জ্বালানি অবকাঠামো ও বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়। তিনি আরও জানান, ইরানের সমর্থন পাওয়া ইরাকি শিয়া মিলিশিয়ারা সাম্প্রতিক জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।