সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের রিসোর্টের কাছে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, ৯ আরোহী নিহত কুমিল্লায় মাদ্রাসায় ২ শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার ফ্লোরিডায় বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯ জনের মধ্যে চালকও রয়েছেন ফ্লোরিডায় ব্যবসায়িক জেট দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক কঙ্গোতে ইবোলার মৃতের সংখ্যা ৫,০০০ ছাড়ালো ২০ মিনিটে ৬.৩ বিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাইবার হামলা পাবনায় বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু, আহত অনেকেই বজ্রপাতে পাবনায় ৬ জনের মৃত্যু, আহত ৩ বাইন্যান্সে ৬.৩ বিলিয়ন ডলারের সাইবার হামলা, বিপুল ক্ষতি যশোরের স্কুলে ছাত্রীকে ধর্ষণ: শিক্ষককে পালাতে সহায়তা, ২ গ্রেফতার
আন্তর্জাতিক

ইরানে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন 'মিসাইল সিটি'

ইরানের মাটির নিচে গড়ে তোলা 'মিসাইল সিটি'গুলো এবং ক্ষেপণাস্ত্রের বর্তমান সংখ্যা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য।

ইরানে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন 'মিসাইল সিটি'

ইরানের সামরিক শক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো দেশটির ক্ষেপণাস্ত্রভাণ্ডার, যা পাহাড়ের ভেতরে নির্মিত ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে সংরক্ষিত রয়েছে। এই ঘাঁটিগুলোকে ‘মিসাইল সিটি’ বলা হয়। বর্তমানে ইরানের কাছে কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, এ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

আগে ধারণা করা হতো, ইরানের কাছে ৩ হাজারের বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তবে সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর বর্তমানে ইরানের কাছে ২ হাজারের কম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল যে, ইরানের কাছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ ক্ষেপণাস্ত্র ছিল।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সংঘাতের আগে ইরানের কাছে ২ হাজার ৫০০ ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, যার মধ্যে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০টি কার্যকর রয়েছে। ইরানের ৯০ শতাংশ ‘মিসাইল সিটি’ ও টানেলভিত্তিক সংরক্ষণাগার এখনও আংশিক বা পুরোপুরি চালু রয়েছে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার ৬০ শতাংশ অক্ষত রয়েছে। ইরান ‘ডিসেন্ট্রালাইজড মোজাইক ডিফেন্স’ কৌশল অনুসরণ করে, যা বিভিন্ন এলাকায় কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছড়িয়ে রাখে।

২০২৪ সাল থেকে ইরান বিভিন্ন সংঘাতে হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করেছে। ২০২৬ সালের মে মাসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে চার দফা সামরিক অভিযানে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৪০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।

বর্তমানে ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র নেই এবং আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও নেই। আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রায় ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো তাবরিজ মিসাইল বেস, খোররামাবাদ সাইলো কমপ্লেক্স, এবং কেনেশ্ত ক্যানিয়ন আন্ডারগ্রাউন্ড বেস।

এই স্থাপনাগুলোতে বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ ও উৎপাদন করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, খোররামাবাদ সাইলো কমপ্লেক্সটি তরল জ্বালানির ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে এবং তাবরিজ মিসাইল বেসে শাহাব-২ ও শাহাব-৩ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়।

বিজ্ঞাপন