মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মেইল ভোটের ওপর ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাতিল করেছে। এই রায়টি ট্রাম্পের নির্বাচনী নিয়ম পরিবর্তনের প্রচেষ্টায় একটি বড় ধাক্কা।
কোর্টের রায় অনুযায়ী, রাজ্যগুলো পূর্বের মতোই মেইল ভোট বিতরণ করতে পারবে। ট্রাম্প মেইল ভোটের নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন এবং এর বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে চেয়েছিলেন।
মেইল ভোটের মাধ্যমে ভোটাররা তাদের বাড়িতে ভোটের কাগজ পান এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেগুলো ফেরত পাঠান। বর্তমানে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সব ভোটের এক তৃতীয়াংশ মেইল ভোটের মাধ্যমে হয়।
মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ফলে আটটি রাজ্য, যেগুলোর মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়া, কলোরাডো, এবং হাওয়াই অন্তর্ভুক্ত, সম্পূর্ণ মেইল ভোটিংয়ের অনুমতি পেয়েছে। তবে ট্রাম্পের ২০২০ সালের নির্বাচনে পরাজয়কে তিনি মেইল ভোটের জালিয়াতির সাথে যুক্ত করেছেন, যা সঠিক নয়।
ট্রাম্পের SAVE America Act, যা ব্যাপক ভোটিং আইন প্রণয়নের কথা বলে, বর্তমানে সিনেটে আটকে আছে। মার্চ ২০২৬ সালে, ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে মেইল ভোটের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের ডাক সার্ভিসের হাতে দেওয়ার নির্দেশ দেন।
এই আদেশের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাট ও কর্মী সংগঠনগুলো আদালতে চ্যালেঞ্জ করে। জুনে, বিচারক ইন্দিরা তালওয়ানি আদেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেন, যা সংবিধানের সম্ভাব্য লঙ্ঘন বলে বিবেচিত হয়।
সুপ্রীম কোর্টের সর্বশেষ সিদ্ধান্তে তালওয়ানির নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে। বিচারপতি ব্রেট কাভানৌ, যিনি ট্রাম্প দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত, প্রশাসনের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।