সুগন্ধি চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে খাদ্য মন্ত্রণালয় তদারকিতে নামছে। খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম জানিয়েছেন, খুচরা ও পাইকারি বাজারে দাম নাগালে রাখতে নজরদারি করা হবে।
বর্তমানে পোলাওয়ের চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়, যা সাধারণ মানুষের জন্য একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে যারা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির।
রপ্তানির উন্মুক্ত সুযোগ থাকায় দেশে সরবরাহ সংকটে দাম বাড়ছে। সরকার সুগন্ধি চালের রপ্তানিতে অনুমোদিত কোটা ৫০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে, তবে দাম কমেনি।
রাজধানীর একটি বাজারের ক্রেতা বলেন, “সবার জন্য; সাধারণ মানুষ, মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত সবারই খাবারের পণ্য এটা। সেজন্য এই চালের দাম কমুক এটা আমরা চাই।” অন্য একজন ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, “আমাদের মতো লোকের জন্য সমস্যা বেশি। ইনকাম হয় তিন টাকা। খরচ হয় ১০ টাকা।”
হোটেল ও রেস্তোরাঁর ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বড় বড় করপোরেট গ্রুপ চাল মজুদ করে দাম বাড়াচ্ছে। রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফিরোজ আলম সুমন বলেন, “বড় বড় কোম্পানি কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। সরকার যদি ভালোভাবে মনিটরিং করে তাহলে দাম এক সপ্তাহের মধ্যে কমে যাওয়া সম্ভব।”
খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম জানান, দেশে সুগন্ধি চালের উৎপাদন ভালো এবং মজুদও পর্যাপ্ত। তিনি বলেন, “আমরা এ কাজটাই করব, জনগণের যেন কোনো অসুবিধা না হয়।”
ক্যাবের সহ সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, “সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বসে আলোচনা করতে পারে– কেন, কীভাবে সমস্যাগুলো তৈরি হচ্ছে।” সরকারি তথ্যমতে, ৪৫ হাজার টন সুগন্ধি চাল রপ্তানির জন্য ২৭৮টি কোম্পানি অনুমোদন পেলেও গত তিন মাসে রপ্তানি হয়েছে মাত্র আড়াই হাজার টন।