নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গ থেকে ৯ দিন পর দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) তাদের উদ্ধার করা হয়, যা উদ্ধারকর্মীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য।
উদ্ধার হওয়া প্রথম ব্যক্তি সঞ্জয়া শাহ, যিনি নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটির (এনইএ) মেকানিক্যাল ফোরম্যান। তার শারীরিক অবস্থার কারণে বর্তমানে তিনি কথা বলতে পারছেন না। তাকে হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুর উত্তর-পশ্চিমে বাত্তারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় ব্যক্তি কবির মহারাজন, যিনি উদ্ধারের পর হাসিমুখে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাকে সরাসরি কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার স্ত্রীও হাসপাতালে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এনইএর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুরেশ রাউত জানিয়েছেন, ত্রিশূলী-৩এ টানেলের ভেতরে এখনও ৩৯ জন শ্রমিক থাকতে পারেন। তবে তাদের মধ্যে কতজন জীবিত রয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বন্যায় নিখোঁজ পাঁচ হাজারের বেশি মানুষের মধ্যে কয়েকশ’ জন বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিস্তৃত সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কে কাজ করতেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযানের অংশ হিসেবে প্রকৌশলীরা এসব টানেলে বাতাস ও অক্সিজেন সরবরাহ করছেন।
এদিকে, প্রায় অর্ধডজন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আলাদাভাবে উদ্ধার অভিযান চলছে। এসব টানেলে ১৫০ জনের বেশি মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।