হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী পার্বত্য অঞ্চল। ধ্বংস হয়েছে ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র। বর্তমানে উদ্ধার অভিযান চলছে এবং নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্তদের।
তবে উজানের দুটি হ্রদের পানি পুরোপুরি নেমে না যাওয়া পর্যন্ত বন্যার ঝুঁকি রয়ে গেছে। কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
৬৭ বছর বয়সী বাল বাহাদুর ঘালে জানান, বন্যার পানি আসতে শুরু করলে তিনি দ্রুত পরিবারের সবাইকে উঁচু জায়গায় সরিয়ে নেন, যা তাদের জীবন রক্ষা করে। তিনি বলেন, 'পানির স্রোত বাড়তে থাকলে আমরা আরও উঁচু জায়গা খুঁজে সেখানে চলে যাই।'
বাল বাহাদুরের মতো অনেকেই এই বিপদের মুখোমুখি। তাদের জীবনের সব কিছু বদলে গেছে এবং এখন নতুন করে শুরু করতে হচ্ছে।
উদ্ধারকাজ চলছে জোর কদমে। নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে মানুষজনকে, কারণ হিমালয়ের এই বিপর্যয়ের ঝুঁকি এখনো রয়ে গেছে।
ত্রিশুলির কাদামাখা পথ ধরে হাঁটতে থাকা মানুষজন শুধুমাত্র একটি বন্যার পরবর্তী পরিণতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন না, বরং তাদের পুরোনো জীবনের ধ্বংসাবশেষের উপর দিয়ে।