দেশে সিগারেটের বিভিন্ন মূল্যস্তরের মধ্যে দামের অস্বাভাবিক ব্যবধানের কারণে ধূমপানের হার কমার পরিবর্তে ভোক্তারা সস্তা ব্র্যান্ডে চলে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং সরকারের রাজস্ব আদায় আশঙ্কাজনকভাবে কমছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম মাত্র ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে উচ্চ ও প্রিমিয়াম স্তরে তা ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে উচ্চমূল্যের সিগারেটের ভোক্তারা তুলনামূলক কম দামি ব্র্যান্ডে সরে যাচ্ছেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে সিগারেট খাত থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা, যা গত বছরের একই সময়ের ৩,৬৪০ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ কম।
২০০৯-১০ অর্থবছরে বাজারে নিম্নস্তরের সিগারেটের অংশ ছিল ৮০ শতাংশ, যা বর্তমানে প্রায় ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম ধাপে ধাপে বাড়ানো জরুরি।
তারা বলেন, মূল্যস্তরের ব্যবধান না কমালে জনস্বাস্থ্য ও রাজস্ব—দুই ক্ষেত্রেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন অসম্ভব হয়ে পড়বে।