বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি ভোট না দেওয়ার পেছনে তিনটি কারণ উল্লেখ করেছেন।
রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে 'মনোনয়ন' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে অর্থহীন মনে হয়েছে। কারণ, ভোটে অনিশ্চয়তা না থাকলে সেটা কোনো নির্বাচন নয়। এই ভোটের ফলাফল কী, তা সবার জানা।’
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কথা উল্লেখ করে প্রশ্ন করেন, ‘কেন একজন অরাজনৈতিক এবং গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত করা হলো না?’
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ টেনে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘২০১৬ সাল থেকে বিএনপি তাঁদের ভিশন ২০৩০ নিয়ে কথা বলে আসছে। কিন্তু এবারের নির্বাচনে তাঁরা সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের ভয় দেখিয়ে জানাল, দলের বাইরে ভোট দিলে সংসদ সদস্যপদ বাতিল হবে। এ রকম প্রহসনের ভোট আমি কেন দেব?’
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন সরকারি দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমেদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। আগামীকাল শুক্রবার বঙ্গভবনে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শপথ নেবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এছাড়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আরও ৫ সংসদ সদস্য ভোট দেননি। তাঁদের মধ্যে বিএনপির মির্জা আব্বাস, ওসমান ফারুক ও মোস্তফা কামাল পাশা; জামায়াতের বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম; এবং খেলাফত মজলিসের আবুল হাসান অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৩৪৩ জন।