রাজধানীর মহাখালীতে ১৫ জুলাই ১৩ বছরের কিশোরী সিমির আত্মহত্যার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পরিবারের অভিযোগ, সিমিকে জোরপূর্বক মাদক সেবন করিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে এবং ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, সিমির বাসায় সাবলেট হিসেবে থাকা সাইদুর-টুম্পা দম্পতির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। সিমির মা জানান, মৃত্যুর আগে সিমি ও তার স্বজন বনানী থানায় ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ জানালেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বনানী থানার পুলিশ দাবি করেছে, সিমির মৃত্যুর আগে তাদের কাছে কেউ অভিযোগ জানায়নি।
সিমি তার মায়ের সঙ্গে মহাখালীর একটি ভবনের ৬ তলায় থাকত। গত এপ্রিল মাসে সাইদুর ও টুম্পা দম্পতি ওই বাড়িতে সাবলেট হিসেবে ওঠেন। এরপর থেকেই সিমির আচরণে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়। সিমির মা জানান, অভিযুক্তরা বাসা ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে ঘর থেকে টাকা খোয়া যেতে শুরু করে।
সিমির মা আরও বলেন, বনানী থানায় নিয়ে যাওয়ার পর সিমি সবকিছু খুলে বলে এবং নির্যাতনের কথা জানায়। তবে পুলিশ কর্মকর্তারাও বিষয়টি বিস্তারিত শোনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে অস্বীকার করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বনানী থানায় যোগাযোগ করা হলে, তদন্ত কর্মকর্তা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তারা জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
এদিকে, সিমির আত্মহত্যার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এখনও আসেনি। পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।