শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পের পর উদ্ধার কার্যক্রমের শেষ পর্যায়ে ২৬৫ জনের মৃত্যু কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ২৬৫ জনের প্রাণহানি কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ২৬৫, নিখোঁজ ৫০০ মুম্বাইতে ভূমিধসে নিহত ৬, উদ্ধারকাজ চলছে সিলেটে স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ বরিশাল জেলা জজ আদালতে বোমা বিস্ফোরণ, পুলিশ তদন্তে বাব এল-মান্দেব প্রণালিতে হুতিদের হামলায় ৬ জন নিহত কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ২৫০ ছাড়ালো, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক কঙ্গোতে ইবোলা আক্রান্তের সংখ্যা ৪,৩৮১, মৃত্যু ২,০০০ ছাড়িয়েছে কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৩২ জনের মৃত্যু, ২৭০০ জন নিখোঁজ
আন্তর্জাতিক

পুতিনের কুড়িল দ্বীপ সফরে জাপানের তীব্র প্রতিবাদ

পুতিনের কুড়িল দ্বীপ সফরের বিরুদ্ধে জাপানের তীব্র প্রতিবাদ, কূটনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি।

পুতিনের কুড়িল দ্বীপ সফরে জাপানের তীব্র প্রতিবাদ

রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে মালিকানা নিয়ে বিরোধপূর্ণ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের ‘ইতুরুপ’ দ্বীপে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সফর ঘিরে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জাপান সরকার। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রুশ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে পুতিনের এই সফরের খবর প্রকাশের পরপরই টোকিও তাদের কড়া প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে।

জাপানে 'এতোরোফু' নামে পরিচিত এই দ্বীপে পুতিনের অবস্থান দুই দেশের মধ্যকার বহু দশকের পুরোনো ভূখণ্ডের মালিকানা বিরোধকে নতুন করে উস্কে দিয়েছে। জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলেন, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং আন্তর্জাতিক আইন—উভয় দিক থেকেই এই দ্বীপগুলো জাপানের অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড।

জাপান সরকার প্রেসিডেন্ট পুতিনের এই সফরের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণ অংশের চারটি প্রধান দ্বীপ নিয়ে মস্কো ও টোকিওর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। জাপান এই চারটি দ্বীপকে তাদের ‘উত্তর ভূখণ্ড’ (নর্দার্ন টেরিটরি) হিসেবে দাবি করে আসছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে ১৯৪৫ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন পুরো দ্বীপপুঞ্জটি নিজেদের দখলে নেয় এবং স্থানীয় প্রায় ১৭ হাজার জাপানি অধিবাসীকে বিতাড়িত করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার আট দশক পার হলেও এই সীমান্ত বিরোধের কারণে মস্কো ও টোকিওর মধ্যে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি।

রুশ সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, ইতুরুপ সফরকালে পুতিন স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সেখানকার সামুদ্রিক মৎস্য শিল্প পর্যবেক্ষণ করেন। সামরিক ও কৌশলগত দিক দিয়ে রাশিয়া এই দ্বীপটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করে এবং এটিকে এ অঞ্চলের প্রধান সামরিক বিমানঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।

সম্প্রতি চীনের সঙ্গে যৌথভাবে ওই দ্বীপপুঞ্জের জলসীমায় নৌমহড়া চালিয়েছিল রাশিয়া, যা নিয়ে জাপানের মধ্যে আগেই গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছিল। পুতিনের সাম্প্রতিক সফর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে চরম অস্থিরতা তৈরি করল।

বিজ্ঞাপন