বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চান্দেরখোলা গ্রামে একই পরিবারের দুই নারীসহ তিনজন খুনের এক সপ্তাহ পার হলেও হত্যার কারণ জানাতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, কিন্তু হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ৬০ বছর বয়সী মনিরা বেগম, ২৫ বছর বয়সী আহাদ আলী হাওলাদার এবং ৯৩ বছর বয়সী রাশিদা বেগম। নিহতদের পরিবারের সদস্য ফয়সাল হাওলাদার জানান, হত্যাকাণ্ডের পর তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেননি। তিনি বলেন, 'আমাদের এমন কোনো শত্রু নেই যে এভাবে আক্রমণ করবে।'
অন্যদিকে, পুলিশ জানায়, হত্যার কারণ উদঘাটনের জন্য তারা বিভিন্ন সম্ভাব্য কারণের উপর তদন্ত চালাচ্ছে। কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ হাসান বলেন, 'জমিসংক্রান্ত বিরোধ, পারিবারিক কলহ ও ব্যক্তি বিরোধের সম্ভাবনা রয়েছে।'
এছাড়া, ফয়সাল জানান, হত্যাকাণ্ডের সময় তাদের বাড়ির দরজা শিকল দিয়ে বন্ধ ছিল এবং হত্যাকারীরা বাইরে থেকে প্রবেশ করতে পারে বলে ধারণা করছেন। তিনি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
গত ৪ আগস্ট পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরদিন ফয়সাল বাদী হয়ে কচুয়া থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এখনো পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ, যার ফলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।