নারায়ণগঞ্জে সরকারি খাল দখল করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা তৈরির সুযোগ কাউকেই দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রূপগঞ্জ উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ঐতিহাসিক 'অগ্রণী সেচ প্রকল্প'-এর যাত্রামুড়া পাম্প হাউজ এবং প্রধান নিষ্কাশন খালের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় খালের ওপর থাকা সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। তিনি জানান, সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় প্রশাসন ও পাউবো কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
ফরহাদ হোসেন আরও উল্লেখ করেন, ১৯৭৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান নারায়ণগঞ্জ-নরসিংদী অঞ্চলের কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে অগ্রণী সেচ প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে অনিয়ন্ত্রিত শিল্পায়নের কারণে প্রকল্পের জমি এবং প্রধান খালগুলো অবৈধ দখলের শিকার হয়েছে।
প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পেলে এলাকায় জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং সড়কপথের পরিপূরক হিসেবে একটি আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব নৌপথ চালু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।