সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
স্বাস্থ্য

পিত্তথলিতে পাথর: লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায়

পিত্তথলিতে পাথর একটি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা। লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায় জেনে নিন।

পিত্তথলিতে পাথর: লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায়

পিত্তথলিতে পাথর সাধারণ একটি স্বাস্থ্য সমস্যা, যা অনেকের জন্য মারাত্মক হতে পারে। পেটের ডান দিকে হঠাৎ তীব্র ব্যথা হলে অনেকেই সাধারণ গ্যাস বা বদহজমের সমস্যা মনে করেন। কিন্তু এই ব্যথা যদি কমে না যায়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

পিত্তথলি, যা লিভারের নিচে অবস্থিত, পিত্তরস জমা রাখে। পিত্তরসে কোলেস্টেরল, পিত্ত লবণ এবং বিলিরুবিন থাকে। যখন এই উপাদানগুলোর ভারসাম্য নষ্ট হয়, তখন স্ফটিক তৈরি হয়ে পাথরে পরিণত হয়। পিত্তথলিতে পাথর মূলত তিন ধরনের হয়: কোলেস্টেরল পাথর, পিগমেন্ট পাথর এবং মিশ্র পাথর।

পিত্তথলির পাথরের ঝুঁকি বোঝাতে ডাক্তাররা 'ফাইভ এফ' সূত্র ব্যবহার করেন। নারীদের মধ্যে এই সমস্যা ২ থেকে ৩ গুণ বেশি দেখা যায়। ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিরা, অতিরিক্ত ওজন অথবা গর্ভবতী নারীরা এই সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হন।

পিত্তথলিতে পাথর থাকার লক্ষণ সাধারণত প্রকাশ পায় না, কিন্তু পাথর যদি নালীতে বাধা সৃষ্টি করে, তবে পেটের ওপরের ডান পাশে তীব্র ব্যথা, ভারী খাবার খাওয়ার পর ব্যথা বৃদ্ধি, গ্যাস, বদহজম এবং জ্বর দেখা দিতে পারে।

অনেকে মনে করেন, পিত্তথলিতে পাথর ধরা পড়লে অস্ত্রোপচার করতে হয়। কিন্তু যদি কোনো উপসর্গ না থাকে, তবে সাধারণত চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে থাকা যথেষ্ট।

পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমানোর জন্য সুষম খাদ্যভ্যাস, সঠিকভাবে ওজন কমানো, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।

বিজ্ঞাপন