রবিবার, ০৯ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
অর্থনীতি

এলপিপির বকেয়া পাওনা নিয়ে আলোচনার আহ্বান

এলপিপির বকেয়া পাওনা নিয়ে আলোচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এলপিপির বকেয়া পাওনা নিয়ে আলোচনার আহ্বান

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের গুরুত্বপূর্ণ ইউরোপীয় ক্রেতা পোলিশ ক্লোদিং কোম্পানি এলপিপির কাছে রপ্তানিকারকদের বকেয়া পাওনা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। তারা বলেছেন, ব্যবসায়িক বিরোধের কারণে এলপিপি যেন বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত না নেয়।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, এলপিপি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পোশাক ক্রেতা এবং বহু রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের অর্ডারের ওপর নির্ভরশীল। তাই রপ্তানিকারকদের ন্যায্য পাওনা আদায়ের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্কও সুরক্ষিত রাখা জরুরি।

ড্রেস টু ডেকরের সিইও শেখ উল্লাস জানান, এনসা ক্লোদিংয়ের জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে তিনি প্রায় ১৪ মাস দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বলেন, এলপিপির সহযোগিতায় এনসা প্রথম ও দ্বিতীয় অর্ডার সফলভাবে সম্পন্ন করে। তবে তৃতীয় অর্ডারের পণ্য চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর পর কেসিএইচ জানায়, মোট পেমেন্টের ৫০ শতাংশ বিলম্বে পরিশোধ করা হবে। এ কারণে বকেয়া অর্থ আদায় নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়।

শেখ উল্লাস আরও জানান, ব্যবসায়িক বিরোধের সমাধান হওয়া উচিত তথ্য, প্রমাণ এবং আইনসম্মত পদ্ধতির মাধ্যমে। আবেগ বা হতাশা থেকে দেওয়া বক্তব্য দীর্ঘমেয়াদে ফলদায়ক হয় না।

ফোর ডিজাইন গার্মেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউর রহমান বলেন, ‘আমরা চাই না একজনের মিথ্যা মামলার কারণে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হোক। এনসার অভিযোগ ভিত্তিহীন।’

ম্যাগপাই কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের হেড অব মার্কেটিং শোয়াইব উদ্দিন খন্দকার বলেন, ‘এলপিপি বাংলাদেশ থেকে অর্ডার কমিয়ে দিলে এর প্রভাব হাজার হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান এবং দেশের রপ্তানি আয় ক্ষতিগ্রস্ত করবে।’

বিজিবিএর উপদেষ্টা মো. মফিজ উল্লাহ বাবু বলেন, ‘এলপিপি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের অন্যতম বড় ইউরোপীয় ক্রেতা। এ সংকটের সমাধানে সংঘাতের পরিবর্তে আলোচনাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।’

বিজ্ঞাপন