ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলারদের ক্যারিয়ার বদলে দেয়ার সবচেয়ে বড় মঞ্চ। এই টুর্নামেন্টে কয়েকটি ম্যাচের ঝলকানিতে রাতারাতি নাম না জানা খেলোয়াড়ও হয়ে ওঠে বিশ্বতারকা, যা খুলে দেয় ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর দরজা।
বিশ্বকাপের প্রতিটি আসরে ফুটবলাররা নিজেদের পারফরম্যান্সে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়ে ভাগ্য পরিবর্তন করে থাকেন। সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে উল্লেখযোগ্য, পর্তুগালের শাভেস থেকে চিলির শীর্ষ ক্লাবে কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনিয়ার যাত্রা।
২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে জার্মানির ২১ বছর বয়সী মেসুত ওজিল তার দূরদর্শী পাস আর দুর্দান্ত খেলা দিয়ে নজরে আসেন। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর তাকে ১৫ মিলিয়ন ইউরোয় দলে ভেড়ায় রিয়াল মাদ্রিদ।
২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে কলম্বিয়ার গোল্ডেন বুটজয়ী হামেস রদ্রিগেজ উরুগুয়ের বিপক্ষে স্মরণীয় ভলি দিয়ে পুসকাস অ্যাওয়ার্ড জেতেন এবং ৭৫ মিলিয়ন ইউরোয় রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন।
২০০২ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ট্রফি জয়ের অন্যতম কাণ্ডারি গিলবার্টো সিলভা অ্যাটলেটিকো মিনেইরো থেকে সরাসরি যোগ দিয়েছিলেন আর্সেনালে।
২০০৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হাভিয়ের মাচেরানোর পারফরম্যান্স তাকে নিয়ে আসে ওয়েস্ট হ্যামে, যা পরবর্তীতে তার বার্সেলোনায় সফল ক্যারিয়ারের ভিত্তি গড়ে দেয়।
বিশ্ব ফুটবলের মেগা এই টুর্নামেন্ট বারবার প্রমাণ করেছে, এক টুর্নামেন্টের পারফরম্যান্সই যথেষ্ট কোনো খেলোয়াড়ের জীবন ও ক্যারিয়ারের পথরেখা চিরতরে বদলে দিতে।