যুক্তরাষ্ট্রের নতুন যেকোনো হামলার প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো ধরনের সংযোগ বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত নতুন মাত্রা পাচ্ছে। যুদ্ধের গোলকধাঁধা বাড়ছে দুই দেশের হুমকি-পাল্টা হুমকিতে। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশও এই সংঘাতের প্রভাব অনুভব করছে।
ইরান সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার প্রতিশোধে অঞ্চলজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। তেহরান উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।
এদিকে, সৌদি আরব বলছে, উত্তেজনা বাড়লে তা কেবল আরও ধ্বংসযজ্ঞ ডেকে আনবে। সৌদি সরকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কূটনৈতিক উপায়ে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইন্টারসেপ্টরের মজুত বিপজ্জনক মাত্রায় কমে গেছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অর্ধেকেরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতির কারণে মার্কিন উপদেষ্টারা ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের হামলা স্থগিত রাখতে রাজি করান। তবে হোয়াইট হাউস এ ধরনের তথ্য অস্বীকার করে দাবি করেছে যে, উপসাগরীয় দেশগুলোর চাপের মুখে ট্রাম্প ওই হামলা স্থগিত করেছিলেন।