বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে গণমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ দেওয়ার জন্য। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে বিষোদ্গারমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ভারত সরকারের অনুমতিতে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা বাংলাদেশ সরকারের জন্য গভীর দুঃখের বিষয়। বাংলাদেশ সরকার আগেই ভারত সরকারকে এ ধরনের অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে অবহিত করেছিল।
জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে শেখ হাসিনার এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং শহীদদের প্রতি অসম্মান জানায় বলে মন্তব্য করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা ও তার অপরাধী সহযোগীদের ইতিহাসের গতিপথ উল্টে দেওয়ার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ অতীতে এ ধরনের প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ভবিষ্যতেও তা প্রত্যাখ্যান করবে।
শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ভারতের অবস্থান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়। ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বারবার অনুরোধ জানানো হয়েছে, কিন্তু ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিতে গভীর আঘাত হেনেছে এবং বাংলাদেশ-ভারতের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের বিকাশের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হচ্ছে।