হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট হুয়ান অর্লান্ডো হার্নান্দেজ ৪৫ বছরের সাজা ভোগের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পardon নিয়ে দেশে ফিরেছেন। গত বছর ডিসেম্বর মাসে ট্রাম্প তার পardon দেন, যেখানে তিনি দাবি করেন যে হার্নান্দেজের বিরুদ্ধে মামলা একটি 'সাজানো' ছিল।
হার্নান্দেজ ২০১৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত হন্ডুরাসের নেতৃত্ব দেন এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে তিনি ৪০০ টনের বেশি কোকেন আমদানি করতে সহায়তা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিকিউটররা তাকে ৪৫ বছরের দণ্ড দেন, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাদক পাচার ষড়যন্ত্রগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
দেশে ফেরার পর হার্নান্দেজ তার পরিবার ও সমর্থকদের সঙ্গে পুনর্মিলিত হন। তিনি বলেন, "আমি বাড়িতে ফিরে আসার জন্য যে গভীর আবেগ ও আনন্দ অনুভব করছি তা অস্বীকার করতে পারি না।"
হার্নান্দেজের বিরুদ্ধে হন্ডুরাসে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, তবে তিনি দেশে ফিরে আসার পর তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা বাতিল করা হয়। আগামী ৩ আগস্ট তাকে আদালতে হাজির হতে হবে।
হার্নান্দেজের পardon নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, বিশেষ করে যখন ট্রাম্প একই সময়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করেন। মানবাধিকার কর্মীরা এবং আইনজীবীরা আশঙ্কা করছেন যে হন্ডুরাসে তার বিচার একটি প্রতারণামূলক প্রক্রিয়া হতে পারে।
হার্নান্দেজের বিরুদ্ধে প্যান্ডোরা পেপার্স দুর্নীতি তদন্তে অভিযোগ উঠেছে যে তিনি রাষ্ট্রের তহবিলের প্রায় ১১ মিলিয়ন ডলার রাজনৈতিক প্রচারণায় ব্যয় করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসন তার পardon দেওয়ার জন্য সমালোচনার মুখে পড়েছে, বিশেষ করে যখন তারা মাদুরোকে গ্রেফতার করেছে।