মহেশখালীতে এলএনজি টার্মিনাল বিকল হওয়ার পর থেকে দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট চলছে। এই সংকটের কারণে রাজধানীর সিএনজি স্টেশনগুলোতে চালকদের ভোগান্তি বেড়েছে। কিছু স্টেশনে গ্যাসের জন্য ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।
রাজধানীর সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাসের দাম ২০০ থেকে ৩০০ টাকার বেশি পাচ্ছে না। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও চালকরা গ্যাসের জন্য লাইন ধরে রয়েছেন।
এক্সিলারেট এলএনজি টার্মিনালে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যা মঙ্গলবার থেকে ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাসের চাপ অর্ধেকে নেমে এসেছে।
এদিকে, সিএনজি বিক্রির কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত গ্যাস বিক্রি বন্ধের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে মালিক সংগঠন।
তিতাস গ্যাস লিমিটেডের জিএম (অপারেশন) কাজী সাইদুল হাসান জানান, তাদের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দৈনিক অন্তত ১৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন। কিন্তু এলএনজি টার্মিনাল বিকল হওয়ার পর বর্তমানে ১২০ কোটি ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, মহেশখালির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি মেরামতের জন্য গত সপ্তাহের শেষ দিকে কয়েকজন মার্কিন বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী দেশে এসেছেন।