রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
বলিভিয়ায় সামরিক ব্যারাকে বিস্ফোরণ, নিহত ১০ ও আহত ৬২ নেপাল-তিব্বত সীমান্তে দুর্যোগে প্রাণহানি বেড়ে ১,৩৬৫ মেক্সিকোতে সংগীতশিল্পী ও অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর হত্যাকাণ্ড তিব্বতে ফের ভূমিকম্প, বন্যা ও ভূমিধসের পর পরিস্থিতি জটিল চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক আটক টরন্টোতে শক্তিশালী ঝড়, হাজার হাজার বাসিন্দা বিদ্যুৎহীন মিনিয়াপোলিসে অ্যাপার্টমেন্টে বন্দুক হামলা, নিহত ৩ নেপাল-চীন সীমান্তে ভূমিধসে মৃত্যু বেড়ে ১,২৪৩, নিখোঁজ ৪,৫০০ মিনিয়াপোলিসে বন্দুকধারীর হামলায় দুই নিহত, তিন পুলিশ আহত ইরানে মার্কিন হামলায় নিহতের সংখ্যা ১৯, ট্রাম্পের নতুন হামলার হুমকি
অর্থনীতি

ডলারের বাজারে চাপ, বেড়েছে দাম ৫০ পয়সা

ডলারের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৩ টাকা ৬০ পয়সা, বাজারে চাপ বাড়ছে।

ডলারের বাজারে চাপ, বেড়েছে দাম ৫০ পয়সা

ডলারের বাজারে আবারও চাপ বেড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডলারের দাম বেড়েছে ৫০ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, জুন শেষে সরকারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধসহ বিভিন্ন আমদানি ব্যয় মেটানোর কারণে ডলারের দাম কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, এ পরিস্থিতি আমদানি খরচ বাড়ানোর পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি আরও বাড়াতে পারে। দেশের উৎপাদন খাতের প্রায় সবকিছুই আমদানি করতে হয় ডলার পরিশোধ করে, ফলে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে।

দেড় বছর স্থিতিশীল থাকার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে আবারও বাড়ছে ডলারের দাম। গত জুনের শেষ থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিদিনই বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার ঊর্ধ্বমুখী। বর্তমানে আন্তব্যাংকে ডলারের দাম ১২৩ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, অর্থবছরের শেষ সময়ে বড় অঙ্কের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ও জ্বালানির দায়সহ বিভিন্ন আমদানি ব্যয় বাড়ায় ডলারের ওপর সাময়িক চাপ বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘বর্তমানে কিছু সরকারি পেমেন্টের চাপ ছিল, তাই ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছে। আশা করছি, রেমিট্যান্স প্রবাহ ভালো থাকায় এটি আবার কমে আসবে।’

২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে যত ডলার এসেছে, তার চেয়ে ৩০ কোটি ডলার বেশি বেরিয়ে গেছে। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে ৭১০ কোটি ডলার এসেছে, বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৪১০ কোটি ডলার। ফলে দেশে ৩ বিলিয়ন ডলারের ইতিবাচক অবস্থান তৈরি হয়েছে।

অর্থনীতিবিদ ও পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ বলেন, ‘ডলারের চাহিদা ও জোগানের রসায়নে পরিবর্তন আসছে। চাহিদার চাপ বাড়ছে, কিন্তু জোগানের প্রবৃদ্ধি সেইভাবে বাড়ছে না, বিশেষ করে রপ্তানির ধীরগতির কারণে।’ ২০২১ সালের আগে ডলারের দর ৮৪ টাকায় স্থিতিশীল ছিল, কিন্তু করোনা-পরবর্তী পরিস্থিতি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ডলারের দর ১২২ টাকায় উঠে যায়।

বিজ্ঞাপন