গাইবান্ধায় তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর তীরজুড়ে অব্যাহত নদী ভাঙনের কারণে স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার অন্তত ২৫টি এলাকায় ভিটেমাটি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে প্রায় দুই শতাধিক বসতবাড়ি। নদীপাড়ের মানুষ চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ভাঙন প্রতিরোধে জেলার প্রায় ১৩টি এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রয়োজনের তুলনায় জিও ব্যাগের সংখ্যা কম এবং কাজের গতি ধীর থাকায় সেগুলো দ্রুত নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে। কার্যকর ও দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।
স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, “আমাদের এলাকার হাজার হাজার বিঘা পাটক্ষেত ভেঙে নদীতে চলে গেছে।” অপর এক ব্যক্তি জানান, “নদীর ভাঙন দেখে আমরা দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছি। এখন বাড়িঘর সরিয়ে নেব, না কি সহায়–সম্পত্তি রক্ষার চেষ্টা করব?”