বিশ্বকাপের ফাইনালে নাইকির লোগো দেখা যাবে না। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার জয়ের মাধ্যমে নাইকির জন্য আশা ভঙ্গ হয়েছে। এদিকে, স্পনসরশিপের লড়াইয়ে জিতে গেছে অ্যাডিডাস, যা নাইকির জন্য একটি বড় ধাক্কা।
ফাইনালিস্ট আর্জেন্টিনা ও স্পেনের জার্সিতে থাকবে অ্যাডিডাসের লোগো। এবারের বিশ্বকাপে অ্যাডিডাস ১৪টি দলের স্পনসর ছিল, যেখানে নাইকি ১২টি দলের স্পনসর করেছে।
দুটি প্রতিষ্ঠানই বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেছে এবারের বিশ্বকাপে। নাইকির বাজার শেয়ার গত কয়েক বছরে কমেছে এবং বিশ্বকাপ ছিল তাদের জন্য একটি বড় সুযোগ।
নাইকির সিইও এলিয়ট হিলের কৌশল কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, বিশেষ করে চীনের বাজারে দুর্বলতা। চলতি বছরে কোম্পানির শেয়ারের দর এক-তৃতীয়াংশ কমেছে।
বিশ্লেষক ডেভিড সোয়ার্টজ জানান, নাইকির জন্য ফুটওয়্যার উদ্ভাবন এবং ইনভেন্টরি নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ। নাইকির মুখপাত্র জানান, কোম্পানি সব সময় তাদের অ্যাথলেট ও ফেডারেশনকে এগিয়ে যেতে চায়।
অন্যদিকে, অ্যাডিডাস তাদের ফাইনালে আধিপত্যকে গর্বের মুহূর্ত হিসেবে দেখছে। নাইকি বিভিন্ন মার্কারিয়াল ফুটবল বুট উন্মোচন করেছে এবং স্থানীয় ডিজাইনারদের সঙ্গে অংশীদারত্ব করেছে।
নাইকির বিশ্বকাপ ক্যাম্পেইন ‘রিপ দ্য স্ক্রিপ্ট’ প্রথম সপ্তাহেই ১৫ কোটি ভিউ পেয়েছে। তবে বাজারে অ্যাডিডাসই বিজয়ী হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে।
এম সায়েন্সের তথ্য অনুযায়ী, জুনে অ্যাডিডাসের বাজার শেয়ার ১৯.২ শতাংশে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের ১৬ শতাংশ ছিল। নাইকির বাজার শেয়ার ক্রমাগত কমছে।
অ্যাডিডাসের নির্বাহীরা জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ পণ্য বিক্রি বাবদ তারা ২৫ কোটি ইউরোর বুকিং পেয়েছেন, যা চলতি প্রান্তিকেও অব্যাহত থাকবে।