২০২৬ বিশ্বকাপে ফাইনালে পৌঁছেছে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। স্পেন ফ্রান্সকে পরাজিত করে এবং আর্জেন্টিনা ইংল্যান্ডকে হারিয়ে এই মঞ্চে এসেছে।
ফাইনালটি শুধুমাত্র দুই ফুটবল পরাশক্তির লড়াই নয়, বরং ডাগআউটে রয়েছে একটি বিশেষ অধ্যায়। স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে এবং আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির সম্পর্ক একসময় ছিল গুরু-শিষ্যের।
স্কালোনি ২০১৭ সালে খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করার পর কোচিংয়ে প্রবেশ করেন এবং লা রোজাস কোচিং একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নেন, যেখানে দে লা ফুয়েন্তে তাঁর প্রশিক্ষক ছিলেন। স্কালোনি ২০২৪ কোপা আমেরিকার সময় দে লা ফুয়েন্তের প্রশংসা করে বলেন, “তিনি আমাদের অনেক সাহায্য করেছেন।”
দে লা ফুয়েন্তেও স্কালোনিকে একজন ‘মাস্টার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যিনি আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতিয়েছেন। দুই কোচই নিজেদের মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন এবং এখন ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে একটি নতুন অধ্যায় রচনা করতে যাচ্ছেন।
স্কালোনির স্ত্রী এলিসা মনতেরো স্প্যানিশ, এবং তাঁদের সন্তানদের জন্মও স্পেনে। স্কালোনির খেলোয়াড়ি জীবনেও তিনি দীর্ঘ সময় স্পেনে কাটিয়েছেন।
ফাইনালের আগে দুই কোচের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ কথার লড়াই চলছে। দে লা ফুয়েন্তে বলেছেন, “আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে খেলতে পারলে আমি খুশি হব,” যা তার এবং স্কালোনির ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে।
স্কালোনি দে লা ফুয়েন্তেকে নিয়ে মন্তব্য করে বলেন, “সে দারুণ একজন মানুষ।” তবে এখন তাঁদের মধ্যে সম্পর্কের পরিবর্তন ঘটেছে, এবং রবিবারের ফাইনালে নির্ধারিত হবে— ফুটবলের সবচেয়ে বড় পুরস্কার জিতবেন গুরু, নাকি সাবেক শিষ্য।