চট্টগ্রামে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, যা মূলত নিষ্কাশন ব্যবস্থার দুর্বলতার জন্য দায়ী। আবহাওয়াবিদরা জানান, নিম্নচাপ এবং মৌসুমী বায়ুর প্রভাবের কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
এ বছর ৬ থেকে ৭ জুলাই ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে, যা ১৯৮৩ সালের রেকর্ডকে ছাড়িয়েছে। পুরো জুলাই মাসে এই অঞ্চলে গড়ে ৭০০ মিলিমিটার বৃষ্টির রেকর্ড থাকলেও, ৪ থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত ৫ দিনে প্রায় ১৫০০ মিলিমিটার বৃষ্টি পড়েছে।
চট্টগ্রাম আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রহমান খান বলেন, ‘এবারের পরিস্থিতি মৌসুমী বায়ু এবং নিম্নচাপের মিলিত প্রভাবের কারণে হয়েছে। ভারী বৃষ্টির সাথে পাহাড়ি ঢলের কারণে পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হয়েছে।’
বিশেষজ্ঞরা জানান, সমুদ্রপৃষ্ঠের উত্তাপ বৃদ্ধি পেয়ে বাষ্পীভবনের কারণে বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণও বেড়েছে। এই বন্যায় চট্টগ্রামের ৭ উপজেলার দুই শতাধিক ইউনিয়নে অন্তত দুই লাখ পরিবার পানিবন্দী হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার বাড়ি, ১৩০০ কিলোমিটার সড়ক, ১৪৫টি সেতু ও কালভার্ট। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে।