বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
ব্রেকিং
সুদান-মিশর সীমান্তে স্বর্ণখনিতে বিমান হামলায় ৭২ শ্রমিক নিহত জিবুতি উপকূলে নৌকাডুবিতে ১৩৯ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা, নিহত ১; আহত ১১ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় ২৪ বাংলাদেশি আহত, দুই নিহত রিয়াদের বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের শব্দ, আগুন প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ২ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত জিবুতি উপকূলে নৌকাডুবিতে ১০৯ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হুতিদের হামলায় সৌদি বিমানবন্দরে নিহত ১২, যুদ্ধের আশঙ্কা রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের হামলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের গভীর উদ্বেগ
জাতীয়

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যার ভয়াবহতা: জলকপাট বন্ধের অভিযোগ

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে জলকপাট বন্ধের কারণে বন্যার ভয়াবহতা বেড়েছে, অভিযোগ স্থানীয়দের।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যার ভয়াবহতা: জলকপাট বন্ধের অভিযোগ

বাঁশখালীতে মাছ ও লবণের ঘের রক্ষায় জলকপাট বন্ধ করে দেওয়ার কারণে বন্যার ভয়াবহতা বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। বন্যার প্রথম দুইদিন পরিস্থিতি সাধারণ থাকলেও, পরে তা ভয়াবহ রূপ নেয়। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে স্লুইচগেট খুলে দেওয়ার পর বাঁধ কেটে দেওয়া হয়, কিন্তু এর ফলে বিস্তীর্ণ এলাকা ডুবে যায় এবং লাখো মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন।

ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিস্তীর্ণ এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। স্থানীয়দের দাবি, মানবসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতাও বন্যার অবনতির জন্য দায়ী। বাঁশখালীতে স্লুইসগেট বন্ধ করে দেওয়ার ফলে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বাঁশখালীতে ৮৫টি স্লুইচগেট নির্মাণ করা হয়, যা জোয়ারের নোনা পানি আটকাতে এবং ভাটার সময় বৃষ্টির পানি সাগরে বের করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি। কিন্তু বন্যা শুরু হলে কিছু ঘের মালিক সিন্ডিকেট করে স্লুইসগেট বন্ধ করে দেয় এবং পরে খুলতেও বাধা দেন।

বাঁশখালীর সংসদ সদস্য মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, "কৃত্রিম সংকট তৈরির জন্য কয়েকজন মানুষ সিন্ডিকেট করেছে, যারা সরকারি স্লুইচগেট আটকে মাছের ঘেরের সুবিধা নিচ্ছে।" তিনি জানান, বন্যা পরিস্থিতির অবনতি এড়ানোর জন্য তারা বাইরের বেরিবাঁধের ১০/২০টি স্পট কেটে দিয়েছেন।

চট্টগ্রামের পানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ মনে করে, স্লুইচগেটের মাধ্যমে পানি যথাযথভাবে বের হলে বন্যা পরিস্থিতির এতটা অবনতি হতো না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী তানজীর সাইফ আহমেদ জানান, "আমরা নতুন কিছু পয়েন্ট তৈরি করব যাতে পরবর্তীতে এমন বৃষ্টি হলে পানি দ্রুত নেমে যায়।"

চট্টগ্রামের ৭ উপজেলার ২ লাখ মানুষ টানা কয়েকদিনের বৃষ্টি ও ঢলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। স্থানীয়রা কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন