নুরুল ইসলাম বাবুল, যিনি হানাদারের কবল থেকে দেশ মুক্ত করার পর অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন, আজ তার ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ করা হচ্ছে। ১৯৪৬ সালের ৩ মে ঢাকার নবাবগঞ্জে জন্ম নেওয়া এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ২০২০ সালে মারা যান।
যমুনা টেলিভিশনে আয়োজিত এক স্মরণ সভায় বক্তারা তার অবদানের প্রশংসা করেন। দৈনিক যুগান্তরের যুগ্ম সম্পাদক বি এম জাহাঙ্গীর বলেন, “করোনার মধ্যে অফিস করার জন্য তিনি অস্থির হয়ে উঠেছিলেন।”
নুরুল ইসলাম বাবুলের সাহসিকতার উদাহরণ তুলে ধরে দৈনিকটির নির্বাহী সম্পাদক এনাম আবেদীন মন্তব্য করেন, “পৃথিবীর কোনও কিছু তাকে কাবু করতে পারতো না।”
যমুনা টেলিভিশনের বার্তা প্রধান তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “তিনি আমাদের যা দেখিয়ে গেছেন, সেগুলো আমাদের অনুসরণ করতে হবে।”
নুরুল ইসলাম বাবুল ৩৯ বছরের কর্মজীবনে ৪১টি শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। সাবেক সম্পাদক সাইফুল আলম তার পারিবারিক জীবনেও নিষ্ঠাবান ছিলেন বলে উল্লেখ করেন।
বর্তমান সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার বলেন, “তিনি প্রতাপশালী শাসকদের সামনে দাঁড়িয়ে উচ্চকণ্ঠে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছিলেন।”
যমুনা টেলিভিশনের সিইও ফাহিম আহমেদ বলেন, “নুরুল ইসলাম বাবুল চাইতেন যমুনা টেলিভিশন বিশ্বের শীর্ষ টেলিভিশন হিসেবে থাকবে।”
তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে তার সহধর্মিনী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। আজ সকালে বনানীতে নুরুল ইসলাম বাবুলের কবর জিয়ারত ও দোয়ায় অংশ নেন পরিবারের সদস্যরা এবং যমুনা টেলিভিশন, দৈনিক যুগান্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।